ফতুল্লায় গ্যাস বিস্ফোরণ: এক পরিবারের ৫ জনেরই মৃত্যু

লেখক: প্রতিধ্বনি ডেস্ক
প্রকাশ: ৬ মাস আগে

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বাসায় গ্যাস লিক হয়ে বিস্ফোরণের ঘটনায় এক পরিবারের ৫ জনই মারা গেছে।

ওই বিস্ফোরণের ঘটনায় স্বামী ও তিন সন্তানের মৃত্যুর পর সবশেষ চিকিৎসাধীন থাকা সায়মাও মারা গেলেন। সায়মার শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ ছিল।

শুক্রবার সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে ৩২ বছর বয়সী সায়মার মারা যাওয়ার তথ্য দিয়েছেন জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান।

এর আগে গত দুই দিনে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সায়মার তিন সন্তান মারা যায়।

বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা ৫০ মিনিটে ১০ বছর বয়সি মুন্নি মারা যায়, তার শরীরের ৩৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

এর ঘণ্টা তিনেক আগে সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে মুন্নির ছোটভাই সাত বছর বয়সী মুন্না মারা যায়। তার শরীরের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

আগের দিন বুধবার সন্ধ্যায় তাদের আরেক বোন কথা মারা যায়; তার শরীরের ৫২ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।

ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে রোববার সকালে ওই বিস্ফোরণ ঘটে। তাতে তিন শিশু সন্তানসহ এক দম্পতি দগ্ধ হন।

তাদের সবাইকে ভর্তি করা হয় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে। তখনই তাদের অবস্থা ‘আশঙ্কাজনক’ ছিল বলে জানিয়েছিলেন চিকিৎসক শাওন।

পরদিন সকালেই মারা যান ৩৫ বছর বয়সী গৃহকর্তা মো. কালাম, তার শরীরে পোড়ার মাত্রা ছিল ৯৫ শতাংশ। এরপর একে একে তাদের সাবারই মৃত্যু হল।

গিরিধারার ওই বাসায় স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ভাড়া থাকতেন সবজি বিক্রেতা কালাম। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ধারণা, তিতাসের লাইনের লিক থেকে গ্যাস জমে তাদের ঘরে বিস্ফোরণ ঘটে ।

আরও পড়ুন  দুই হাজার টাকায়ও শ্রমিক মিলছে না কিশোরগঞ্জের হাওরে, বাড়ছে বোরো ধানের ক্ষতি
  • এক পরিবারের ৫ জনেরই মৃত্যু
  • গ্যাস বিস্ফোরণ
  • নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায়