নেত্রকোণার মদন উপজেলায় ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণের মামলায় মাদ্রাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার নেত্রকোণার মদন আমলি আদালতের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক
আসামি সাগর উপজেলার হযরত ফাতেমাতুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক।
রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামি সাগরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছিলেন। তবে রিমান্ডের শুনানির পর বিচারক তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার বরাতে পুলিশ জানায়, সাগর তার নিজের মাদ্রাসায় ১১ বছরের শিশুকে বেশ কয়েকদিন ধর্ষণ করেন। এতে শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে চিকিৎসকের কাছে গেলে বিষয়টি ধরা পড়ে।
এ ঘটনায় ২৩ এপ্রিল থানায় সাগর ও তার ভাই মামুন মিয়াকে আসামি করে মামলা করেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা। বাদীর অভিযোগ, টাকা দিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা ও মীমাংসার চেষ্টা করেছিলেন সাগর।
মামলার পর থেকেই শিক্ষক সাগর মাদ্রাসা বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যান।
পরে গত মঙ্গলবার রাত সোয়া ৪টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে আমান উল্লাহ সাগরকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-১৪। বুধবার বিকালে মদন থানা পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করে র্যাব।
এরপর সেদিন সন্ধ্যায় তাকে আদালতে সোপর্দ করলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় এবং রিমান্ড শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।