বগুড়ায় আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর চালু করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। একই সঙ্গে দক্ষ পাইলট তৈরির জন্য এখানে স্থাপন করা হবে একটি ফ্লাইং একাডেমি ও একটি পূর্ণাঙ্গ আধুনিক বিমানঘাঁটি।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বগুড়া বিমানবন্দর এলাকা পরিদর্শন শেষে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাণিজ্যিক বিমানসেবা চালুর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে একটি প্রতিনিধিদলের সদস্যরা এ কথা বলেন।
প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী মিজ আফরোজা খানম।
এর আগে সকালে বিমানবাহিনীর বিশেষ হেলিকপ্টারে করে বগুড়া বিমানবন্দর সরেজমিন পরিদর্শন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী মিজ আফরোজা খানম।
এসময় উত্তরাঞ্চলের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বগুড়াকে দেশের অন্যতম এভিয়েশন হাবে রূপান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন মিজ আফরোজা খানম।
মন্ত্রী মিজ আফরোজা খানম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় আমরা বগুড়া পরিদর্শনে এসেছি। উত্তরাঞ্চলের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বগুড়াকে দেশের অন্যতম এভিয়েশন হাবে রূপান্তর করা হবে। বগুড়াবাসী সত্যিই ভাগ্যবান। মন্ত্রণালয়ের এই বৃহৎ পরিকল্পনার যাত্রা বগুড়া দিয়েই শুরু হচ্ছে।’
পরিদর্শনে মন্ত্রী মিজ আফরোজা খানম সঙ্গে ছিলেন তার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বগুড়ায় আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর নির্মাণের পাশাপাশি ১০ হাজার ৫০০ ফুট দীর্ঘ রানওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজ অবতরণ করতে পারে। একইসঙ্গে কার্গো ফ্যাসিলিটি স্থাপন করা হবে, যা উত্তরাঞ্চলের কৃষি ও শিল্পপণ্যসহ রপ্তানি বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ, বাণিজ্য ও এভিয়েশন খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচনের লক্ষ্যে বগুড়া বিমানবন্দরকে সম্প্রসারণের মাধ্যমে পাইলট ট্রেনিং একাডেমী ও কার্গো ফ্যাসিলিটি স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই আজকের পরিদর্শন।
পরিদর্শনকালে অন্যান্যদের মধ্যে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার এনডিসি সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিমানবন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।