সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় চার জনের যাবজ্জীবন

লেখক: প্রতিধ্বনি ডেস্ক
প্রকাশ: ৩ সপ্তাহ আগে

কামরাঙ্গীরচরের আশ্রাফাবাদে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় চার জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান রবিবার এ রায় দেন।

দণ্ডিতরা হলেন-শহিদুল ইসলাম (২৩), সাইফুল ইসলাম (২৫), নিজাম (২৪) এবং মনির হোসেন ওরফে সেন্টু (২৬) । এর মধ্যে সাইফুল ইসলাম পলাতক রয়েছে। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে ট্রাইব্যুনাল। অপর তিন আসামিকে রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আদালতের প্রসিকিউটর এরশাদ আলম (জর্জ) সাজার বলেন, ‘দণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে অর্থদণ্ডের টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’

জানা গেছে, মামলার বিচার চলাকালে ট্রাইব্যুনাল ৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে। আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানি, যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ট্রাইব্যুনাল থেকে আজকের এ রায় এল।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড় ৬ টার দিকে ওই তরুণী তার বান্ধবীর সঙ্গে কামরাঙ্গীরচরের আশ্রাফাবাদে ময়দার মিলের পাশে নৌকা ঘাটে বেড়িবাঁধে বেড়াতে বের হয়েছিলেন। এক পর্যায়ে তার বান্ধবী তাকে রেখে বাসায় চলে যায়। বান্ধবী চলে যাওয়ার পর পৌনে ৭ টার দিকে আসামিরা জোর পূর্বক প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে তাকে একটি নৌকায় উঠিয়ে বুড়িগঙ্গা নদীর মাঝখানে নিয়ে মাঝিকে নদীর মধ্যে ফেলে দেয়। নৌকার মধ্যে আসামিরা পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর আসামিরা তাকে একটি বাড়িতে রুমের মধ্যে তালাবদ্ধ করে রাখে।

ঘটনাটি জানতে পেরে তার বাবা-মা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরবর্তীতে ভুক্তোভোগী থানায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করে ২০১০ সালের ৩১ অক্টোবর কামরাঙ্গীরচর থানার এসআই শফিকুল ইসলাম শিকদার আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

আরও পড়ুন  চাঁদাবাজির বৈধতার অপচেষ্টা; প্রধানমন্ত্রীর প্রতি নিজদলের শুদ্ধিকরণের আহ্বান টিআইবির
  • আইন-আদালত
  • ধর্ষণ
  • মামলা
  • যাবজ্জীবন