৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর ঘটনায় জামিন পেলেন ইমি

লেখক: প্রতিধ্বনি ডেস্ক
প্রকাশ: ৬ মাস আগে

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় জামিন পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল সংসদের সাবেক ভিপি শেখ তাসনিম আফরোজ (ইমি) ।

আজ বৃহস্পতিবার জামিন চেয়ে ইমির করা আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।

চলতি বছরের ৭ মার্চ রাত সাড়ে নয়টার দিকে শাহবাগ থানার সামনে অবস্থান নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ বাজানো কর্মসূচি ঘোষণা করেন শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিসহ কয়েকজন।

রিকশায় করে মাইকে ভাষণ বাজানোর সময় ডাকসু নেতা এ বি জুবায়ের, মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ, এনসিপির ছাত্রসংগঠন জাতীয় ছাত্র শক্তির আহ্বায়ক তাহমিদ আল মোদাসসিরসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি দল তাতে বাধা দেয়।

একপর্যায়ে এ বি জুবায়ের ও মোসাদ্দেক আলী রিকশাসহ শেখ তাসনিম আফরোজ ও আবদুল্লাহ আল মামুনকে শাহবাগ থানার ভেতরে নিয়ে যান। এ সময় থানার ভেতরেই আবদুল্লাহ আল মামুনকে মারধর করা হয়। পরে পুলিশ তাঁদের আটক করে রাখে। পরদিন থানা হেফাজতে আটক থাকা আসিফ আহমেদ সৈকতসহ তিনজনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে শাহবাগ থানার একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, শাহবাগ থানার বিপরীত পাশে জাতীয় জাদুঘরের ১ নম্বর গেটের সামনে আবদুল আল মামুন ও শেখ তাসনিম আফরোজ ইমির নেতৃত্বে ১০ থেকে ১৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি জড়ো হন। সে সময় শাহবাগ থানা মসজিদে তারাবিহর নামাজ চলছিল। তাঁরা মসজিদের দিকে মুখ করে লাউড স্পিকারে উসকানিমূলক স্লোগান দেন। সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রের উদ্দেশে নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম সচলের চেষ্টা করেন।

এজহারে আরও বলা হয়েছে, তাঁরা পুলিশের কাজেও বাধা দিয়ে থানাহেফাজতে আটক থাকা আসিফ আহমেদ সৈকতকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় ডাকসু প্রতিনিধি এ বি জুবায়ের ও মোহাম্মদ মোসাদ্দেকের নেতৃত্বে একদল শিক্ষার্থী তাঁদের আটক করে পুলিশে দেয়।

আরও পড়ুন  জামালপুরে গৃহবধূকে দলবেঁধে ধর্ষণ মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
  • আইন-আদালত
  • জামিন পেলেন ইমি