রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে সেমিফাইনালে বায়ার্ন

লেখক: প্রতিধ্বনি ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ ঘন্টা আগে

কোয়ার্টার ফাইনাল ফিরতি লেগে রিয়াল মাদ্রিদকে ৪–৩ ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে যাচ্ছে বায়ার্ন মিউনিখ। এই জয়ের ফলে দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৪ গোলের বড় ব্যবধানে এগিয়ে থেকে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে তারা।

এই ম্যাচের বাঁকবদলের সময়টি ছিল ৮৬ মিনিটে এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গার দেখা লাল কার্ড। কামাভিঙ্গার বিদায়ের পরই ৮৯ মিনিটে তৃতীয় ও যোগ করা সময়ে চতুর্থ গোল করে রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে দেয় বায়ার্ন মিউনিখ।

এই হারে পরপর দুই মৌসুম ট্রফিহীনভাবে শেষ করার শঙ্কায় পড়ল রিয়াল। এখনো অবশ্য কাগজে–কলমে লা লিগা জয়ের সম্ভাবনা আছে রিয়ালের। যদিও সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার চেয়ে ৯ পয়েন্টে পিছিয়ে আছে তারা।

এমন বিদায়ে রিয়াল কোচ আলভারো আরবেলোয়া সরাসরি দায়ী করেছেন কামাভিঙ্গার লাল কার্ডকে। বলেছেন, রেফারির সেই সিদ্ধান্তই ম্যাচের দৃশ্যপট বদলে দিয়েছে। এই ম্যাচে মাঠে রেফারির দায়িত্ব পালন করেন স্লোভেনিয়ার স্লাভকো ভিনচিচ।

কামাভিঙ্গা প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন ম্যাচের ৭৯ মিনিটে। জামাল মুসিয়ালার জার্সি টেনে ধরার শাস্তি পান ফরাসি মিডফিল্ডার। ৮৬ মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন সময় নষ্ট করার কারণে।

বায়ার্ন তারকা হ্যারি কেইনকে ফাউল করার পর বল ধরে রেখে খেলা পুনরায় শুরু করতে দেরি করায় দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন কামাভিঙ্গা। ম্যাচের পর রেফারির এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন রিয়াল কোচ আরবেলোয়া।

টিএনটি স্পোর্টসকে আরবেলোয়া বলেন, ‘এ ধরনের ম্যাচে এমন ঘটনায় একজন খেলোয়াড়কে লাল কার্ড দেখানো অবিশ্বাস্য। আমরা খুবই হতাশ, খুব রাগান্বিত। এটা আমাদের মৌসুম নির্ধারণী ম্যাচ ছিল।’

শুধু তা–ই নয়, মুভিস্টারকে আরবেলোয়া বলেন, ‘আমার মনে হয়, রেফারি জানতেনই না যে ওর আগে থেকেই একটি হলুদ কার্ড ছিল। তাই তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’

‘এমন একটি ম্যাচ, যা আমার মতে দারুণ সুন্দর ছিল, দারুণ গতিতে চলছিল, অসাধারণ মানের ছিল। সেখানেই ম্যাচের সমাপ্তি ঘটে।’

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ দলে সুইডেনের আনিকা

অন্যদিকে ৮৯ মিনিটে গোল করে বায়ার্নকে এগিয়ে দেওয়া লুইস দিয়াজ রেফারির সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন। তাঁর মতে, কামাভিঙ্গা বল ধরে রেখে স্বাগতিকদের দ্রুত আক্রমণ শুরু করতে বাধা দিয়েছিলেন।

দিয়াজ বলেন, ‘আমার মনে হয়, রেফারি সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছেন। আমরা দ্রুত ফ্রি-কিক নিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু সে বল ছাড়েনি।’

রেফারির এ সিদ্ধান্তে প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানিয়ে ম্যাচ শেষে লাল কার্ড দেখেন রিয়ালের অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার আরদা গুলেরও। কামাভিঙ্গাকে লাল কার্ড দেখানোর সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে স্লোভেনিয়ান এই রেফারিকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি। এর ফলে আগামী মৌসুমে রিয়ালের প্রথম ম্যাচে খেলতে পারবেন না গুলের।

  • খেলা
  • ফুটবল
  • বায়র্ন মিউনিখ
  • রিয়াল মাদ্রিদ