সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ইরানের এক হামলায় কমপক্ষে ১২ মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সূত্র নিউইয়র্ক টাইমস।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুজন মার্কিন কর্মকর্তা স্থানীয় সময় শুক্রবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এ হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর জ্বালানি সরবরাহে ব্যবহৃত কমপক্ষে দুটি ‘কেসি-১৩৫’ রিফুয়েলিং উড়োজাহাজও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইরানের সঙ্গে মাসব্যাপী চলা এই যুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের এই সম্মিলিত হামলাকে যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার অন্যতম বড় ব্যর্থতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দুজন মার্কিন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে জানিয়েছেন, ঘাঁটিতে অন্তত একটি ক্ষেপণাস্ত্র এবং বেশ কয়েকটি ড্রোন আঘাত হেনেছিল। আহত সেনারা ঘাঁটির একটি ভবনের ভেতরে ছিলেন, যেটি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই হামলায় একাধিক মার্কিন রিফুয়েলিং উড়োজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এছাড়া গত ১৩ মার্চ প্রকাশিত ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় মার্কিন বিমানবাহিনীর পাঁচটি রিফুয়েলিং উড়োজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেগুলো মেরামতের কাজ চলছে।
ওই দিনই মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইরাকের আকাশসীমায় একটি মার্কিন কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে উড়োজাহাজের ছয় ক্রুর সবাই নিহত হন। এ ছাড়া ওই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত একই ধরনের আরেকটি উড়োজাহাজ ইসরায়েলে জরুরি অবতরণ করে।
ইরাকের ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স নামের একটি গোষ্ঠী উড়োজাহাজটি ভূপাতিত করেছে বলে দাবি করলেও সেন্টকম দাবি করেছিল, ‘শত্রুপক্ষ বা মিত্রপক্ষের গুলিতে’ উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়নি।